‘‘দেশ থেকে দেশান্তরে, ভয়েস অব পিপল সবার ঘরে’’

কঠোর অভিবাসন নীতির রূপকার স্টিফেন মিলার ট্রাম্পের নতুন চিফ অব স্টাফ

কঠোর অভিবাসন নীতির রূপকার স্টিফেন মিলার ট্রাম্পের নতুন চিফ অব স্টাফ

ভয়েস অব পিপল রিপোর্ট, ৭ নভেম্বর :

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল এনেছেন। হোয়াইট হাউসের নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির অন্যতম প্রধান রূপকার স্টিফেন মিলারকে। বর্তমান চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলস পদত্যাগ করায় তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ৪১ বছর বয়সী মিলার। আগামী ৯ নভেম্বর থেকে তিনি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

শুক্রবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ নিয়োগের ঘোষণা দেন। তিনি মিলারকে নিজের অত্যন্ত বিশ্বস্ত উপদেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে দক্ষ।

মিলার ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ থেকেই তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে কঠোর অভিযান, অভিবাসীদের বহিষ্কার এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাসহ বিতর্কিত নীতিগুলো প্রণয়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদেও অভিবাসনবিষয়ক নীতিনির্ধারণে তিনি অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন।

অন্যদিকে, সুসি ওয়াইলস ছিলেন হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ। ট্রাম্পের ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালনা এবং দ্বিতীয় প্রশাসনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি ট্রাম্পের রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের পরাজয়ের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে এই পরিবর্তন ঘটল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিলারকে নিয়োগের মধ্য দিয়ে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার পরিবর্তে নিজের কঠোর নীতিগুলো আরও জোরালোভাবে বাস্তবায়নের বার্তা দিয়েছেন।

তবে অভিবাসন নিয়ে মিলারের কঠোর অবস্থান ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ফলে তাঁর নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসননীতি আরও কঠোর হওয়ার আশঙ্কা করছেন সমালোচকেরা।