ভয়েস অব পিপল ।। জনগণের কণ্ঠস্বর, বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি

কলিকালের কলধ্বনি ।। ১২৮ ।। দেশটা এখন ভূ-রাজনীতির চক্করে: পড়েছে ওদের খপ্পরে

কলিকালের কলধ্বনি ।। ১২৮ ।। দেশটা এখন ভূ-রাজনীতির চক্করে: পড়েছে ওদের খপ্পরে

উৎসর্গ

"যারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেন এবং বিশ্ব রাজনীতির জটিল বাস্তবতায় দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে দেখতে চান, তাদের প্রতি’’

দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে বাংলাদেশ এখন আর শুধু একটি মধ্যম আকারের রাষ্ট্র নয়—বরং ভারত মহাসাগর, বঙ্গোপসাগর এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল। ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ক্রমশ পুনরায় সক্রিয় হয়ে ওঠা পাকিস্তান—এই শক্তিগুলোর কৌশলগত হিসাব-নিকাশে বাংলাদেশের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এই বাস্তবতা যেমন সুযোগ তৈরি করছে, তেমনি তৈরি করছে জটিল চাপ, প্রতিযোগিতা ও নীতিগত ঝুঁকি।

বাংলাদেশকে নিয়ে আজকাল শুধু ঢাকায় নয়, দিল্লি, বেইজিং, ওয়াশিংটন, মস্কো, ইসলামাবাদ এবং নেপিদোতেও হিসাব-নিকাশ চলছে। কে বাংলাদেশের কতটা ঘনিষ্ঠ হবে, কার প্রভাব কতটা বাড়বে, কোন বন্দর কে ব্যবহার করবে, কোন প্রকল্পে কার অর্থায়ন থাকবে, কার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গভীর হবে—এসব প্রশ্ন এখন আর কেবল কূটনীতিকদের আলোচনার বিষয় নয়। এগুলো বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গেও জড়িয়ে গেছে।

একসময় আমরা ভাবতাম, বিশ্বের বড় শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ কিংবা দক্ষিণ চীন সাগর পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। কিন্তু আজ বাস্তবতা হলো, সেই প্রতিযোগিতার ঢেউ এসে আঘাত করছে বঙ্গোপসাগরের তীরেও। দেশটা যেন এক অদৃশ্য ভূ-রাজনৈতিক চক্করে পড়ে গেছে। সবাই বন্ধুত্ব করতে চায়, কিন্তু প্রত্যেকের বন্ধুত্বের পেছনেই রয়েছে নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ।

বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা আর একক শক্তির আধিপত্যে নেই। যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং বাণিজ্য ও প্রযুক্তি বিভাজন বিশ্বকে ক্রমশ “ব্লকভিত্তিক” ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে ছোট ও মধ্যম শক্তির দেশগুলোর জন্য প্রধান কৌশল হয়ে উঠছে—“ব্যালান্সিং ডিপ্লোমেসি” বা ভারসাম্যমূলক পররাষ্ট্রনীতি।

বাংলাদেশও সেই বাস্তবতার মধ্যেই অবস্থান করছে।

বাংলাদেশের অবস্থান কয়েকটি বড় কৌশলগত অক্ষের উপর দাঁড়িয়ে—

  • ভারত: দীর্ঘ সীমান্ত, বাণিজ্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতা
  • চীন: অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ
  • যুক্তরাষ্ট্র: রপ্তানি বাজার, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল ও নিরাপত্তা সহযোগিতা
  • রাশিয়া: জ্বালানি, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা
  • পাকিস্তান: নতুন করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা

বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর এখন শুধু একটি সমুদ্র নয়; এটি বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সামরিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ করিডোরে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত “রিসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট”। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে—এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়।

চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে কয়েকটি বড় অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • বিমানের জন্য ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ
  • প্রায় ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন জ্বালানি, বিশেষ করে LNG আমদানির প্রতিশ্রুতি
  • প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য, তুলা, সয়াবিন ও খাদ্যপণ্য কেনা
  • মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় বৃদ্ধির অঙ্গীকার
  • হাজার হাজার মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক কমানো বা ধাপে ধাপে তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কিছু পোশাকপণ্যের ওপর শুল্ক ছাড় এবং সামগ্রিক ট্যারিফ হার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনার সুবিধা দিয়েছে, বিশেষ করে যেসব পোশাক মার্কিন তুলা বা কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি হবে।

সমালোচকদের একটি অংশের দাবি, চুক্তিটি অনেক ক্ষেত্রেই অসম। কারণ বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ মার্কিন পণ্য কিনতে বাধ্যতামূলক বা প্রায়-বাধ্যতামূলক প্রতিশ্রুতি দিতে হয়েছে, অথচ বিনিময়ে পাওয়া বাজার সুবিধা তুলনামূলক সীমিত। অন্যদিকে সমর্থকদের যুক্তি হলো, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র; ফলে শুল্ক সুবিধা ধরে রাখতে বাস্তবতার কারণে এমন সমঝোতায় যেতে হয়েছে।

এই চুক্তি দেখিয়ে দিয়েছে যে বর্তমান বিশ্বে বাণিজ্য আর শুধু বাণিজ্য নয়—এটি এখন সরাসরি ভূ-রাজনীতির অংশ।

এদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই তুলনামূলক স্থিতিশীল। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

তবে ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও আর্থিক লেনদেনকে জটিল করে তুলেছে। ফলে বাংলাদেশকে একদিকে জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বজায় রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে পশ্চিমা অংশীদারদের সঙ্গেও সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে।

আবার ওদিকে, মায়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি প্রতিবেশী দেশের সমস্যা নয়; এটি সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক চাপের বিষয়।

রোহিঙ্গা সংকট ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের ওপর বিশাল বোঝা চাপিয়েছে। রাখাইন অঞ্চলে সংঘাত বৃদ্ধি পেলে নতুন শরণার্থী ঢলের আশঙ্কা তৈরি হয়।

একই সঙ্গে সীমান্তে অস্ত্র চোরাচালান, মাদক পাচার এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তা বাংলাদেশের নিরাপত্তা নীতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ–পাকিস্তান সম্পর্ক ছিল অনেকটা শীতল ও সীমিত। তবে ২০২৪-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে ইসলামাবাদ নতুন করে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের চেষ্টা শুরু করেছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকেই দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠনের আলোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

পাকিস্তান বুঝতে পেরেছে যে দক্ষিণ এশিয়ার নতুন সমীকরণে বাংলাদেশকে উপেক্ষা করার সুযোগ আর নেই। অন্যদিকে বাংলাদেশও চেষ্টা করছে কোনো একটি শক্তির ওপর নির্ভরশীল না থেকে বহুমুখী সম্পর্ক গড়ে তুলতে।

চীন বাংলাদেশের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ খাতে সক্রিয়। যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রভাব মোকাবিলায় ঢাকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে চায়। ভারত বাংলাদেশের স্থিতিশীলতাকে নিজের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করে দেখে। চীন ও ভারত দুই রাষ্ট্রই আমাদের তিস্তা ব্যারেজের কাজ পেতে চায়। এ নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা।

এদিকে রাশিয়া জ্বালানি ও কৌশলগত প্রকল্পের মাধ্যমে প্রভাব ধরে রাখতে চায়। পাকিস্তান আবার নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ খুঁজছে।

ফলে বাংলাদেশ এখন কার্যত একটি বহুমাত্রিক কূটনৈতিক ভারসাম্যের কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে বৈদেশিক ঋণ, রপ্তানি বাজার, জ্বালানি আমদানি এবং বহুপাক্ষিক সহায়তার সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত।

ফলে পররাষ্ট্রনীতির প্রতিটি সিদ্ধান্ত অর্থনৈতিক প্রভাবও তৈরি করে। কোনো একটি শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ভবিষ্যতে কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক চুক্তিটি আবারও দেখিয়েছে, অর্থনৈতিক দরকষাকষির আড়ালে কত বড় কৌশলগত শর্ত লুকিয়ে থাকতে পারে। আজকের পৃথিবীতে বাণিজ্য, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও কূটনীতি—সবকিছুই একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে।

পশ্চিমে ভারত, পূর্বে মায়ানমার এবং বৃহত্তর অঞ্চলে চীন, পাকিস্তান, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিবেশ আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল।

রোহিঙ্গা সংকট, সীমান্ত উত্তেজনা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং সাইবার ঝুঁকি এখন একই সঙ্গে মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

এখন বাংলাদেশের মূল চ্যালেঞ্জ

১. কোনো একক শক্তির বলয়ে আটকে না পড়া
২. অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্যময় করা
৩. রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খোঁজা
৪. ভারত, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা
৫. সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
৬. পররাষ্ট্রনীতিকে দলীয় নয়, রাষ্ট্রীয় কৌশলে পরিণত করা

এ অবস্থায় বাস্তববাদী কিছু উপায় হতে পারে

বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে “স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি” বা কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন।

অর্থাৎ—

  • কারও বিরুদ্ধে নয়, সবার সঙ্গে সম্পর্ক
  • জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
  • অর্থনৈতিক কূটনীতিকে শক্তিশালী করা
  • বঙ্গোপসাগরভিত্তিক ব্লু ইকোনমি উন্নয়ন
  • আঞ্চলিক সংঘাতে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান
  • প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি

বাংলাদেশের জন্য বিপদটা এই নয় যে অনেক দেশ আমাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাইছে। বিপদটা তখনই তৈরি হবে, যখন আমরা অন্যদের কৌশলগত খেলায় নিজের স্বার্থ ভুলে যাব।

বড় নিকটতম প্রতিবেশি দেশ ভারত চায় বাংলাদেশ তার নিরাপত্তা বলয়ের অংশ হোক। একটু দূরতম প্রতিবেশি চীন চায় তার অর্থনৈতিক করিডোরের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হোক। যুক্তরাষ্ট্র চায় ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে সহযোগী হোক এবং একই সঙ্গে তার পণ্য, জ্বালানি, বিমান ও প্রযুক্তির বড় বাজার হিসেবে বাংলাদেশকে ধরে রাখতে। রাশিয়া তার জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উপস্থিতি ধরে রাখতে চায়। একাত্তরের পরাজিত শক্তি পাকিস্তান চায় নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় পুরোনো দূরত্ব কমাতে। আবার লাগোয়া আরেক প্রতিবেশি মায়ানমার চায় বাংলাদেশের কাছ থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত না নিতে। বরং আরও পাঠাতে চায়। সাথে প্রতিদিন চোরাপথে পাঠাচ্ছে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ নানান ধরনের মাদক।

অর্থাৎ সবাই বাংলাদেশের দিকে হাত বাড়িয়ে আছে। কিন্তু সেই হাতগুলোর পেছনে জাতীয় স্বার্থের হিসাবও রয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধু বা স্থায়ী শত্রু নেই—স্থায়ী থাকে কেবল স্বার্থ।

দেশটা এখন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে, যেখানে বিদেশি শক্তিগুলোর প্রতিটি প্রস্তাবের পেছনে কৌশলগত হিসাব রয়েছে। কেউ বাজার চায়, কেউ বন্দর চায়, কেউ নিরাপত্তা প্রভাব চায়, কেউ রাজনৈতিক অবস্থান চায়। ফলে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে—বন্ধুত্ব আর নির্ভরতার মধ্যে পার্থক্য বোঝা।

তাই আজ প্রশ্ন একটাই—বাংলাদেশ কি অন্যদের ভূ-রাজনৈতিক খপ্পরে আটকে যাবে, নাকি নিজের স্বার্থকে সামনে রেখে সবাইকে ব্যবহার করে এগিয়ে যাবে?

এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে আগামী দশকের বাংলাদেশের পথচলা।

লেখক: সম্পাদক, কলামিস্ট, বিশ্লেষক ও সাবেক অধ্যাপক

লন্ডন, ৩০ মে ২০২৬